Students Save 30%! Learn & create with unlimited courses & creative assets Students Save 30%! Save Now
Advertisement
  1. Code
  2. WordPress
Code

WooCommerce এর প্রাথমিক ধারণা: সূচনা

by
Length:MediumLanguages:
This post is part of a series called The Beginners Guide to WooCommerce.
The Beginners Guide to WooCommerce: General Settings

Bengali (বাংলা) translation by Shakila Humaira (you can also view the original English article)

একটা ই-কমার্স ওয়েবসাইট তৈরি করা ভয়ানক একটা কাজ। যদি এমন হত, সামন্য কিছু ক্লিক ছাড়া এটি আর কিছুই না। ঠিক,এটা এখন সম্ভব।এজন্য WooCommerce কে ধন্যবাদ।

WooCommerce একটা ওয়ার্ডপ্রেস প্লাগিন যার সাহায্যে কোন ধরনের ব্যস্ততা বা নিজে কোড না করেই একটা অনলাইন স্টোর তৈরি করা, চালানো, পরিমাপ করা এবং রক্ষণাবেক্ষণ করা যায়।(not to mention code nerds can do a lot with its API)

এই অনুচ্ছেদের শুরুতে,আমরা শিক্ষানবিসদের জন্য অনলাইন স্টোর সেট আপ করতে WooCommerce কনফিগার করার একটা সিরিজ শুরু করবো। আমি বরং প্রারম্ভিক প্রশ্নগুলো আলোচনা ছাড়া কনফিগারেশনের অংশে না যায়।

আগেই বলা হয়েছিল,এই সিরিজের প্রাথমিক লক্ষ হবে নতুন শিক্ষানবিসরা। কনটেন্ট হবে আমার  WordPress SEO for Beginner সিরিজের এর মত। তাহলে ,চল শুরু করা যাক।

আমাদের উদ্দেশ্যগুলো

উত্তম পদ্ধতিতে ব্রেণ্ড তৈরি এবং তোমার নিজের ই-কমার্স সমাদান দিয়ে তোমার প্রোডাক্ট বিক্রয়ের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি এবং অনুমোদিত আয় তৈরি করা। করার চেয়ে বলা সহজ,তাই না?

দেখি উইকিপিডিয়া কি বলে ই-কমার্স নিয়েঃ

ইলেকট্রনিক কমার্স, সাধারণভাবে যা ই-কমার্স নামে পরিচিত, তা হচ্ছে ইন্টারনেট বা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে পণ্য বা পরিষেবা বাজারজাত করা। ইলেকট্রনিক কমার্স যেমন মোবাইল কমার্স, ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার, সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট, ইন্টারনেট মার্কেটিং, অনলাইন লেনদেন প্রক্রিয়াকরণ, ইলেক্ট্রনিক ডেটা ইন্টারচেঞ্জ (ইডিআই), ইনভেন্টরি পরিচালন সিস্টেম, এবং স্বয়ংক্রিয় তথ্য সংগ্রহ সিস্টেম হিসাবে প্রযুক্তির মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
আধুনিক ইলেকট্রনিক কমার্স সাধারণত লেনদেন প্রক্রিয়ার জন্য ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব ব্যবহার করে। যদিও এজন্য ই-মেইল, মোবাইল ডিভাইস, সামাজিক মিডিয়া, এবং টেলিফোনসহ অন্যান্য প্রযুক্তির ব্যবহারও হতে পারে। 

তোমার ই-কমার্স শুরু করার জন্য সঠিক প্ল্যাটফরম বাছাই করা?

ই-কমার্স হল বর্তমানের অন্যতম হাওয়া,যেটি হতে পারে সম্ভাব্য রাজস্ব আয়ের বড় একটা চুক্তি। শুরুতে একজন ছোট ব্যবসার মালিক  একটা অনলাইন স্টোর সেটআপের সিদ্ধান্ত নেয়।

সঠিক প্ল্যাটফরম বাছাই করা অন্যতম উদ্দেশ্য। ওয়ার্ডপ্রেস তার সহজসাধ্যতার জন্য প্রোগ্রামিং না জানা মানুষের কাছে পরিচিত, এবং WooCommerce এর ক্ষেত্রেও একই কারণ সবার কাছে পরিচিত।

ই-কমার্স সেট আপের ক্ষেত্রে সম্ভাব্য উদ্বেগ

ধরি, আপনার প্রযুক্তিগত জ্ঞান নেয়। আপনি একটা অনলাইন স্টোর শুরু করবেন। স্পষ্টতই,প্রায় বেশিভাগ সময়,আপনার প্রোজেক্টের জন্য প্রোগ্রামার ভাড়া করার জন্য আপনার যথেষ্ট টাকা থাকে না। তাই,আপনার এমন একটা সমাদান দরকার যেটা হয় বিনামূল্য না হয় নামে মাত্র মূল্য। সেই সময় আপনার জন্য সম্ভাব্য উদ্বেগগুলো হল:

  • ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা:একটা বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ আপনার বিক্রির পরিমাণ বাড়িয়ে দিবে। যদি একজন end-user আপনার ওয়েবসাইটের মৌলিক অপশনগুলো সঠিক জায়গায় খুজে না পাই,তাহলে আপনি সম্ভাব্য ক্লাইন্ট হারাতে পারেন। কিন্তু একজন startup হয়ে আপনার বিক্রি বাড়ানোর জন্য আপনি একজন অভিজ্ঞ ডিজাইনার ভাড়া করতে পারবেন না।
  • কাস্টোমাইজেশন: একজন নতুন শিক্ষানবিসের জন্য আপনার অনলাইন স্টোরকে ব্র্যাণ্ডের মত করে কাস্টোমাইজ করাটা কঠিন হবে।(সবাই তো প্রোগ্রামার বা ডিজাইনার নয়।) সহজে করার মত কিছু একটা থাকা উচিৎ,যা এই প্লাটফরমে আপনাকে সাহায্যের  জন্য কোড মুক্ত একটা পদ্ধতি।
  • নিরাপত্তার উদ্বেগগুলো: কোন ধরনের সন্দেহ ছাড়াই বলা যায়,একজন ই-কমার্স মালিকের সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয় হল নিরাপত্তার লংঘন। যেকোন পর্যায়ে এটার অভিজ্ঞতার সামর্থ্য আপনার নেয়। এই ধরনের আক্রমণ শুধুমাত্র যে আপনার গ্রাহকের জন্য ঝুঁকি তা নয় আপনি নিজেও আপনাকে চরম বিশৃংখলার মধ্যে খুজে পাবেন। উদাহরণ হিসেবে,যদি আপনার সাইট ডাউন হয়ে যায়,আপনার পেমেণ্ট অন্য সাইটে রিডাইরেক্টেড হতে পারে অথবা আপনার ওয়েব পেজের কনটেণ্ট এবং গঠন ভেঙ্গে যেতে পারে। আপনি কিভাবে এধরনের বিষয়গুলো সামলাবেন?
  • কর্মক্ষমতা পরিমাপ: যদি আপনি একটি ই-কমার্স ব্যবসায় থাকেন, তাহলে আপনার এমন কিছু বিশ্লেষণাত্মক টুল প্রয়োজন হবে, যা স্পষ্টভাবে আপনার সকল সাইটের পরিসংখ্যান রেকর্ড রাখতে পারবে। আমি এমন অনেক ই-মার্চেণ্টকে দেখেছি, যারা এই ব্যপারে অভিযোগ করে যে তারা অনেক ভিজিটর পায়, কিন্তু সেগুলো সেলসে রুপান্তরিত হয় না। কারণ, বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই তারা তাদের গ্রাহকদের কার্যক্রম ট্র্যাক করতে পারে না। আপনার নিঃসন্দেহে এমন একটি সমাধান প্রয়োজন যা আপনাকে বিক্রয় এবং কর্মক্ষমতা সম্পর্কে অবগত রাখতে পারবে।

WooCommerce

এই সমস্যাগুলোর সমাধান

WooCommerce হচ্ছে একটি ফ্রি এবং ওপেন সোর্স ওয়ার্ডপ্রেস প্লাগিন যেটা সব ধরনের ই-কমার্স ব্যবসার জন্য হতে পারে পূর্ণাঙ্গ সমাধান।

২০১১ সালে WooThemes এর তৈরি, WooCommerce এর মাধ্যমে পৃথিবীব্যাপী এখন হাজারেরও বেশী ই-কমার্স ওয়েবসাইট আছে। এবং এটা ই-কমার্স শিল্পের প্রচার ও প্রসারে ভূমিকা রাখছে। এই প্লাগিন ব্যবহারের মাধ্যমে আপনি অনলাইনে যেকোনো জিনিস খুব সহজেই বিক্রি করতে পারবেন। উইকিপিডিয়া থেকে কিছু পরিসংখ্যান অনুযায়ী:

ই-কমার্স প্রায় ১৭১,০০০ জন অনলাইন খুচরা বিক্রেতা দ্বারা গৃহীত হয়েছে।  এটা বেশ কিছু উচ্চ ট্রাফিকের ওয়েবসাইটে ব্যবহার করা হয়, এদের মধ্যে Internet Systems Consortium এবং Small Press Expo-ও আছে। ২০১৩ এর সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে কোয়াণ্টিকাস্টের ডাটা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে WooCommerce সর্বোচ্চ ১০,০০০ সাইটের ২.৯৩% ওয়েবসাইটে পরিচালিত হয় এবং সর্বোচ্চ ১০০,০০০ ওয়েবসাইটের ৩.৪% পরিচালিত হয়, এবং সর্বোচ্চ দশ লাখ ওয়েবসাইটের ৫.৬৫%-এ পরিচালিত হয়ে থাকে। 

কেন আপনার অনলাইন স্টোরের জন্য ই-কমার্স ব্যবহার করবেন?

চলুন, তাহলে দেখা যাক WooCommerce কিভাবে অনলাইন বিক্রেতাদের চাহিদা পূর্ণ করে। 

ফ্রি এবং ওপেন সোর্স

WooCommerce এর সবচেয়ে বড় পার্থক্যের বিষয় হচ্ছে এটা বিনামুল্যে এবং ওপেন সোর্স। ওপেন সোর্স প্ল্যাটফর্ম হওয়ার সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে, ডেভেলপাররা এটাতে নিত্য নতুন ফিচার যোগ করছেন, এবং যেকোনো সমস্যার সমাধান খুব সহজেই আপনি পেতে পারেন।

তারা এটা দিয়ে তাদের নিজস্ব থিম এবং এক্সটেনশন তৈরি করতে পারবেন। এটা নিঃসন্দেহে তাদের জন্য খুব ভালো উপায়, যাদের পুঁজি সীমিত। এই বৈশিষ্ট্যটি, অত্যন্ত বহুমুখী এবং নমনীয় যা আপনাকে অনলাইনে সহজ এবং উদ্ভাবনী উপায়ে বিক্রি করতে সাহায্য করবে।

ব্যবহার-বান্ধব অভিজ্ঞতা

WooCommerce নির্মিত হয়েছিলো WooThemes এর মাধ্যমে। এখানে অনেক নতুন নতুন পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও তা বাস্তবায়ন করা হয়েছে যার মাধ্যমে বিনামূল্যে নিখুঁত সমাধান দেয়া সম্ভব। এমনকি যদি আপনি এই বিষয়গুলোর টেকনিক্যাল দিকটি নাও বুঝেন, তবুও আপনি WooCommerce দিয়ে আপনার পণ্য বিক্রির ক্ষেত্রে অনেক সুবিধা পাবেন। এটা ব্যবহার করে মার্চেন্টরা খুব সহজেই তাদের পণ্য বিক্রয়মূল্য, স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যাবলী ইত্যাদি দ্বারা শ্রেণীবিভক্ত করতে পারেন। আপনি খুব সহজেই যেকোনো বস্তু, ভার্চুয়াল, ডাউনলোড করা যায় এমন, অথবা এফিলিয়েট / বহিরাগত পণ্যও এই প্লাগিনের মাধ্যমে বিক্রি করতে পারবেন।

এই লেআউটটি খুব সহজ, যা ব্যবহারকারীরা স্বচ্ছন্দে ব্যবহার করতে পারেন, এবং কোন ধরণের ঝামেলা ছাড়াই খুব সহজে পেইজ সেটিংসসমূহ সম্পূর্ণ করা যায়। এটা দিয়ে আপনি গ্রাহকদের বিভিন্ন ক্রিয়াকলাপ মনিটর করতে পারবেন। যেমন, কিভাবে বিক্রি হলো, প্রক্রিয়ান্তর, সাইনআপসমূহ, অর্ডার ট্র্যাক করা ইত্যাদি।

একইভাবে, গ্রাহকরা তাদের আগের অর্ডার ট্র্যাক করতে পারে এবং তাদের কেনা আইটেম ডেলিভারী এখন কি অবস্থায় আছে তা চেক করতে পারে। WooCommerce একই সাথে ভিন্ন শিপিং অপশন এবং টেক্স সেটিংসের সুবিধাও দিয়ে থাক।  এই সবগুলো বৈশিষ্ট্যই আপনার গ্রাহকের উপর ব্যাপকভাবে প্রভাব ফেলবে এবং এর ফলে গ্রাহকের ক্লিক করার প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। যেমন বিপননকারীরা বলে থাকেন, যত ক্লিক, তত ক্রেতা, তত বিক্রি।

সহজেই পরিবর্তনযোগ্য

WooCommerce যে শুধুমাত্র WooThemes এর জন্যই ভালো তা কিন্তু নয়, একই সাথে অন্যান্য ওয়ার্ডপ্রেস থিমেও সমানভাবে কাজ করতে সক্ষম। ThemeForest-এ একটি সম্পূর্ণ সেকশন আছে যা শুধুই WooCommerce সাপোর্ট করে এমন থিম দিয়ে পূর্ণ। এটা একটি ওয়েবসাইটে মানসম্মত প্রস্তাবনা যোগ করে এবং কাস্টমাইজেশন প্রক্রিয়াটি খুব সহজ করে তোলে। অসংখ্য শর্টকোড ও উইজেটের সমন্বয়ে তৈরি যা দিয়ে আপনি আপনার ওয়েবসাইটটি স্বতন্ত্রভাবে উপস্থাপন করতে পারবেন। WooCommerce এ এই বিষয়ে সবিস্তারে তথ্য আছে, যা আমি আগামী পোস্টগুলোতে বর্ননা করবো।

যেমন খুশি তেমন পদ্ধতি

WooCommerce শুধুমাত্র আপনার ওয়েব স্টোর সেটআপ করার জন্য নয়। এটা একটা সম্পূর্ণ প্ল্যাটফর্ম। এই প্লাগিনের মাধ্যমে আপনার গ্রাহকরা তাদের ব্যক্তিগত ড্যাশবোর্ড তৈরি করতে পারবে, শুধু তাই নয়, এখানে তারা তাদের সাম্প্রতিক অর্ডারের জন্য স্ট্যাটাস আপডেট দেখে সেগুলো রদবদল করতে পারবে।

আপনি যদি একটি পেশাদার ই-কমার্স ওয়েবসাইট চালু করতে চান এবং ওয়েব স্টোরটি আপনার পণ্য দিয়ে সাজিয়ে গুছিয়ে তুলতে চান, তাহলে WooCommerce এর মাধ্যমে তা খুব সহজেই করতে পারবেন। এটাই হচ্ছে WooCommerce এর সৌন্দর্য: অন্য কোনও CMS বৈশিষ্টের ক্ষতি না করে, আপনি সবকিছুই এক জায়গায় পাচ্ছেন। 

সহজেই ট্র্যাক করা যায় এমন বিশ্লেষণী ক্ষমতা

WooCommerce এর মূল সুবিধা হচ্ছে এটি সহজেই গ্রাহকদের আচরন ট্র্যাক করতে পারে, প্রবণতার ভবিষ্যদ্বাণী করতে পারে, এবং সঠিকভাবে আপনার বিপণন প্রচেষ্টার অগ্রপশ্চাৎ বিশ্লেষণ করতে পারে। বিভিন্ন ফিগার ও পরিসংখ্যান যেমন মোট বিক্রয়, তারিখ অনুযায়ী বিক্রয় সংখ্যা, গড় অর্ডারের সমষ্টি, পৃথক গ্রাহক পরিসংখ্যান, রিভিউ, স্টক লেভেল এবং সামগ্রিক ওয়েব বাজারের কর্মক্ষমতা খুব সহজেই বিশ্লেষণ করে থাকে। আর এই সবগুলোই খুব সুন্দরভাবে বিভিন্ন গ্রাফ, পাই চার্ট, বার চার্ট ইত্যাদির মাধ্যমে তুলে ধরে।

সমন্বিত সোশ্যাল ফিচারসমূহ

Cost-per-like (অথবা CPL) খুব সুন্দর ভাবে সমন্বিত সোশ্যাল ফিচার দ্বারা কমিয়ে আনা যায়, যা মানুষকে আপনার পণ্য তাদের সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইলের মাধ্যমে শেয়ার করতে উৎসাহিত করবে। অন্তত, সামাজিক-লোকেশনভিত্তিক-মোবাইলের জন্য WooCommerce খুব উপকারী, যার ফলে নেটিভ বিজ্ঞাপনের জন্য আপনার খরচ কমে যাবে।

নিরাপত্তা

ওয়ার্ডপ্রেস একটি নিরাপদ প্ল্যাটফর্ম। এটা ২২% এরও বেশী ইণ্টারনেটভিত্তিক ওয়েবসাইটে পরিচালিত হয়। কোনও নিরাপত্তা ত্রুটি ধরা পড়লে, ত্রুটি প্রকাশের সাথে সাথেই বিশ্বব্যাপী নিরাপত্তা আপডেট পরিচালনা করা হয়।  WooCommerce নিয়মিত আপডেট করা হয়, যার ফলে যেকোনো নিরাপত্তা বিষয়ক ত্রুটি প্রকাশ হলে, সাথে সাথে তা ধরা পড়ে যায়।

সম্প্রসারিত ফাংশনালিটি

ফিচার এক্সটেনশন ওয়ার্ডপ্রেস ও WooCommerce এর ক্ষেত্রে সবচেয়ে সেরা ফিচার। এখানে অসংখ্য ফ্রি ও প্রিমিয়াম এক্সটেনশন আছে।

এই এক্সটেনশনগুলো প্লাগিনের কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। একই সাথে একাউন্টিং, পেমেন্ট গেটওয়ে, মার্কেটিং, রিপোর্টিংসহ অন্যান্য বিষয়ের জন্যও কার্যকর। CodeCanyon-এ এ ব্যপারে একটি সম্পূর্ণ সেকশন আছে যা এই ধরনের প্লাগিন দিয়ে পূর্ণ।

সমর্থন

আরেকটি প্রধান উদ্বেগের বিষয় যার কারণে বেশীর ভাগ ই-মার্চেন্টই হুমকির সম্মুখীন, আর তা হল: কী হবে যদি তারা ওয়েবসাইটের কোনও বিষয়ে আটকে যায়? WooCommerce এক্ষেত্রে chat forums, video tutorials, ইত্যাদির মাধ্যমে সাহায্য করে থাকে, যেখানে টেকনেশিয়ানরা বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করার জন্য প্রস্তুত থাকে। এখানে অনেক ডেভেলপার আছেন, যারা এই প্লাগিনের জন্য মাসিক চুক্তির ভিত্তিতে সহযোগিতা করে থাকেন। যখন আমি ফ্রিল্যান্সিং শুরু করি, প্রথমে আমি যে কয়জন ক্লায়েন্টকে সাহায্য করি, তারা সবাই তাদের WooCommerce-ভিত্তিক অনলাইন বিপনন কেন্দ্রটি মাসিক ভিত্তিতে পরিচালনা করার জন্য আমার সাহায্য চায়।

যা মনে রাখতে হবে

আপনি যদি একজন শিক্ষানবীশ হয়ে থাকেন এবং একজন ই-মার্চেন্ট হতে চান তাহলে, WooCommerce আপনার জন্য সময় সাশ্রয়ী হবে। পরের নিবন্ধগুলোতে আমরা এই সিরিজের, কনফিগারেশন অংশে যাবো, যেখানে আমরা একের পর এক ই-কমার্সের প্রতিটি বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে জানবো।

শুরু করার আগে কি কোনও প্রশ্ন আছে? কমেন্ট সেকশনে আমাদেরকে জানাতে পারেন।

Advertisement
Advertisement
Looking for something to help kick start your next project?
Envato Market has a range of items for sale to help get you started.